গর্ভের সন্তান নষ্ট করে দেয় যে খাবার

0
117
সন্তান নষ্ট

নারীর জীবনের পূর্ণতা আসে মা হওয়ার মধ্য থেকে। মা হওয়ার স্বাদটাই আলাদা। তবে প্রথমবার মা হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক কিছু থেকেই সাবধান থাকতে হয়।

কারণ প্রথম প্রেগন্যান্সিতে মিসক্যারেজ বা গর্ভপাতের সম্ভাবনা থাকে সবচেয়ে বেশি। শারীরিক জটিলতার বাইরে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটা হয়ে থাকে অনভিজ্ঞতার কারণে।
জেনে নিন গর্ভপাত এড়াতে কোন কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন।

বার্লি

বার্লির অনেক ভালো গুণ থাকলেও গর্ভাবস্থার প্রথম অবস্থায় বার্লি খেলে মিসক্যারেজ হয়ে যেতে পারে।

কাঁচা পেঁপে

প্রেগন্যান্সির প্রথম তিন মাস অবশ্যই কাঁচা পেঁপে সেদ্ধ, রান্নায় পেঁপে বা পেঁপের চাটনি খাওয়া এড়িয়ে চলুন। পরের দিকেও পেঁপে খেলে গর্ভপাত না হলেও রক্তপাত হতে পারে।

অপাস্তুরিত দুধ

অপাস্তুরিত মানে দুধ না ফুটিয়ে খাওয়া। সব সময়ই দুধ ভালো করে ফুটিয়ে খাওয়া উচিত। কারণ দুধ থেকে বেশি ব্যাকটেরিয়া ছড়ায়। বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় অপাস্তুরিত দুধ গর্ভপাত পর্যন্ত ডেকে আনতে পারে।

কাঁকড়া ও চিংড়ি

গর্ভাবস্থায় কাঁকড়া, চিংড়ি অথবা খোলসওয়ালা সি ফুড খাওয়া একেবারে ছেড়ে দিন। এই ধরনের খাবার থেকে অ্যালার্জি হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে।

কাঁচা ডিম

অনেকে আছেন যারা কাঁচা ডিম খান। যদি আপনার এই অভ্যাস থাকে তাহলে প্রেগন্যান্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা ত্যাগ করুন। হাফ বয়েল বা ডিমের পোচ খেলেও বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে। ডিম সেদ্ধ বা ভাজি করে খান।

প্রক্রিয়াজাত মাংস

প্রক্রিয়াজাত মাংস খাওয়া কখনই ভালো না। এটি ক্যান্সারও ডেকে আনতে পারে। গর্ভাবস্থায় তাই একেবারেই এড়িয়ে চলুন।

আনারস

গর্ভাবস্থায় সবচেয়ে ঝুঁকি ডেকে আনতে পারে আনারস। প্রথম তিন মাসে আনারস, আনারসের চাটনি খেলে গর্ভপাত হওয়ার ঝুঁকি বহু গুণ বেড়ে যায়। গর্ভবতীদের মধ্যে আনারস খেয়ে ডায়েরিয়া বা অ্যালার্জি হওয়ার উদাহরণও দেখা যায় প্রচুর।

চিজ

চিজ শরীরে ফ্যাট জমায়। জরায়ুতে ফ্যাট জমলে শিশুর বৃদ্ধিতে সমস্যা হয়। ফলে মিসক্যারেজ হয়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুনঃ   ডিম নিয়ে ১০ টি মহা মূল্যবান টিপস জেনে নিন

LEAVE A REPLY