দুশ্চিন্তা দূর করতে রোদে হাঁটুন

0
12
রোদে হাঁটা

ফাতেমা তুজ জোহুরা: 

অ্যাংজাইটি বা দুশ্চিন্তাকে দূর করতে পারে এমন কিছু বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হল, যা এক্ষেত্রে দারুন কাজে আসতে পারে। লক্ষ্য একটাই, উন্নতি, অর্থনৈতিক এবং সমাজিক তো বটেই। কিন্তু এমনটা করতে গিয়ে অজান্তেই জড়িয়ে পরছি দুশ্চিন্তার জালে।

যে যে পদ্ধতি অনুসরণ করে অ্যাংজাইটিকে বা দুশ্চিন্তাকে দূর করা সম্ভব, চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১। বাদামঃ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত এক মুঠো করে বাদাম খাওয়ার অভ্যাস করলে মস্তিষ্কের ভেতর কর্টিজল নামক স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ কমতে শুরু করে। ফলে একদিকে যেমন অ্যাংজাইটি বা দুশ্চিন্তা কমে, তেমনি অন্যদিকে মনও চাঙ্গা হয়ে ওঠে। বাদামে প্রচুর মাত্রায় ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা কর্টিজল হরমোনের ক্ষরণ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২। রোঁদে হাঁটাচলাঃ গবেষণা বলছে শরীরে ভিটামিন ডি-এর মাত্রা বৃদ্ধি পেলে দুশ্চিন্তা কমে। ভিটামিন ডি-এর সবথেকে ভাল উৎস হল সূর্যালোক। তাই সকাল বেলা, এই ধরুন ৭-৯ টার মধ্যে প্রতিদিন গায়ে রোদ লাগানোর চেষ্টা করবেন, এমনটা করলে দেখবেন চিন্তা আর মগজ ধোলাই করতে পারবে না।

৩। দুই কাপ কফিঃ শরীরে ক্যাফিনের মাত্রা বাড়তে থাকলে এনার্জির ঘাটতি দূর হয় ঠিকই, কিন্তু সেই সঙ্গে অ্যাংজাইটি লেভেলও বাড়তে শুরু করে, যা শরীরের জন্য একেবারেই ভাল নয়। এবার থেকে কফির মাত্রা কমিয়ে গ্রিন টি খাওয়া শুরু করতে পারেন। এমনটা করলে শরীরের উপকার তো হবেই, সেই সঙ্গে অ্যাংজাইটি লেভেল বাড়ার আশঙ্কাও থাকবে না।

৪। শরীরচর্চাঃ নিয়মিত মাত্র ২১ মিনিট শরীরচর্চা করলে এন্ডোরফিন নামক একটি হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যেতে শুরু করে। এই হরমোনটি মনকে চাঙ্গা করে তুলতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। তাই তো এন্ডোরফিনের ক্ষরণ যত বৃদ্ধি পায়, তত চিন্তা কমতে থাকে।

আরও পড়ুনঃ   ১২ টি প্রাকৃতিক মাউথফ্রেশনার সম্পর্কে জেনে নিন

LEAVE A REPLY