রোজায় বুক জ্বালাপোড়ায় করণীয়

0
170
বুক জ্বালাপোড়া

আমরা রোজার মাস ছাড়া অন্য সময়ে তিনবেলা খাই। নিয়ম করেই খাওয়া হয়। রমজান মাস এলে খাওয়ার এ নিয়মে ব্যত্যয় ঘটে। সারা দিন না খেয়ে থাকি আমরা। আবার রাতের অল্প সময়ের মধ্যে বেশ কয়েকবার খাই। এতে পাকস্থলীর ওপর চাপ পড়ে। দেখা দেয় এসিডিটির সমস্যা।

আমরা অন্যান্য সময়ের চেয়ে রমজান মাসে বেশি খাই। এ খাবারগুলোও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। ইফতারি বলতে আমরা যা বুঝি তা খেলে তো পেটে সমস্যা হবেই। সারা দিন না খেয়ে সন্ধ্যায় যখন আপনি তেলে চুপচুপে পেঁয়াজু পেটে ভরবেন পাকস্থলী বেচারা কি তা সহ্য করতে পারবে? পেট ফাঁপা, পেটে ব্যথা তো হতেই পারে। অনেকে ইফতারির সঙ্গে রাজ্যের খাবার খান। এতেও পাকস্থলীর ওপর চাপ পড়ে। আর আগে থেকে যাদের আলসারের সমস্যা আছে তাদের তো কথাই নেই।

রোজার শুরুর দিনগুলোতে যে কেউ এ সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন। এ সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে হলে রমজান মাসে অতিরিক্ত না খেয়ে পরিমিত ও সুষম খাদ্য খান। এবার বেশি পরিমাণে না খেলে অল্প অল্প করে খেতে পারেন। ছোলা-মুড়ি পেটে এসিডিটি বাড়ায়। সুস্থ থাকতে এসব বাদ দিতে পারেন। সেই সঙ্গে ভাজাপোড়া ও মসলাযুক্ত খাবার কম খান।

ইফতারিতে ফলের জুস বেশি করে পান করুন। ইফতারির পর অল্প অল্প পরিমাণে, বারবার পানি ও পানীয় পান করুন। রান্নার সময় তেল একটু কমিয়ে দিন।

বাইরের হালিম পেটে ব্যথা, বুক জ্বালা বাড়াবে। তাই ভেবে দেখুন খাবেন কি না।

বন্ধ করুন কফি ও ধূমপান। একটু উঁচু বালিশে শুতে পারেন। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার জন্য এন্টাসিড, এন্টিহিসটামিন বা প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর যেমন ওমিপ্রাজল, পেন্টোপ্রাজল ইত্যাদি ওষুধ খেতে পারেন চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে।

যাদের আলসার আছে, তারা রোজা রাখার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

 ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু

লেখক : মেডিকেল অফিসার, ঢাকা মেডিকেল কলেজ।

আরও পড়ুনঃ   ব্রেইন-সংক্রান্ত যে দশ কারণে মানুষ ক্রাইমে জড়ায় !

LEAVE A REPLY