আলকুশির ঔষধিগুণ-আলকুশির উপকারিতা জেনে নিন

0
68
আলকুশির উপকারিতা

আলকুশি আমাদের বন-পাহাড়ে মোটামুটি সহজলভ্য। ইংরেজি নাম Velvet bean। এর সংস্কৃত নাম আত্মগুপ্তা। বৈজ্ঞানিক নাম Mucuna pruriens। আলকুশি বা বিলাইখামচি অযত্নে বেড়ে ওঠা এক ধরণের লতা; যেটা অন্য গাছকে জড়িয়ে বৃদ্ধি পায়। সাধারণত বর্ষজীবী লতা হলেও কখনও কখনও বহুদিন বেঁচে থাকতে দেখা যায়। নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে এই লতা জন্মে থাকে। ঔষধ হিসাবে আলকুশি লতার মূল ও বীজ ব্যবহার করা হয়।

পরিচিতি: আলকুশি অনেকটা সিমগাছের মতো এবং ছোট ছোট মোমদ্বারা আবৃত, ৪ থেকে ৬ টা বীজ থাকে। প্রতিটি বীজ ৫৫ থেকে ৮৫ গ্রাম ওজন হয়। এর বীজ চেপ্টা, ঈষৎ পীতবর্ণ, মুখটি কৃষ্ণবর্ণ। এর পাতা আট থেকে ১২ সে. মি. পর্যন্ত লম্বা হয় এবং পাতাগুলো বেশ মসৃণ। সারাবছরই পর্যায়ক্রমে ফুল ও ফল পাওয়া যায়। । এবং বীজগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র লোম দ্বারা আবৃত থাকে যা সহজেই পৃথক হয়ে যায়। এগুলি ত্বকের সংস্পর্শে এলে প্রচণ্ড চুলকানি সৃষ্টি করে। বানরের সঙ্গে এদের সম্পর্ক হল, যখন আলকুশি ফল পুষ্ট হতে থাকে তখন চুল্কানির ভয়ে বানরের দল ঐ এলাকা ছেড়ে চলে যায়, কারণ এর হুল বাতাসেও ছড়িয়ে পড়ে। বানরেরা ফিরে আসে যখন মাটিতে ফল পড়ে যায়। সেগুলো তারা খায় বিশেষ দৈহিক কারণে। কিছু আলকুশি আছে যার রোম নেই বললেই চলে সেটা কাকাণ্ডোল, Mucuna pruriens var. utilis নামি পরিচিত।

বোটানিক্যাল নামের Pruriens শব্দটি এসেছে ল্যাটিন ভাষা থেকে, যার অর্থ চুলকানির অণুভূতি। ফলের খোসা ও পাতায় আছে- সেরাটোনিন, যার কারণে চুলকানির উদ্রেক হয়। মধ্য আমেরিকায় আলকুশির বীচি আগুনে ভেজে চূর্ণ করা হয় কফির বিকল্প হিসেবে। এ কারণে ব্রাজিলসহ অন্যান্য দেশে এর প্রচলিত নাম হচ্ছে নেস ক্যাফে। গুয়েতেমালায় কেচি সম্প্রদায়ের মানুষ এখনও খাদ্যশস্য হিসেবে এটি আবাদ করে। সবজি হিসেবে রান্না হয়। আলকুশি গাছে প্রায় সারা বছরেই ফুল ও ফল হয়।

পাশ্চাত্য উদ্ভিদ বিজ্ঞানীদের সমীক্ষার প্রতিবেদন হলো পৃথিবীর উষ্ণপ্রধান দেশাঞ্চলে এই গণের (genus) ২০টি প্রজাতি আছে, তার মধ্যে ভারতে ১০টি পাওয়া যায়; তবে এই আলকুশি বাংলাদেশ, ভারতের বিহার, উড়িষ্যা, নেপালের তরাই অঞ্চলে পাওয়া যায়, উত্তর-দক্ষিণ-পূর্ব-পশ্চিম ভারতের বনাঞ্চলে এর অভাব নেই; তবে সাধারণত এটা তিন হাজার ফুট উচ্চতার মধ্যেও দেখা যায়। ঠিক আলকুশির মতো একই রকম গাছ অথচ ফুলে যে তফাত, সেটা আমাদের মতো সাধারণের চোখে ধরা পড়ে না, তবে তার শুঁটি ফল হলেই তার পার্থক্য নজরে আসে, সেই পার্থক্যটা হলো, এই ফলগুলোর গায়ে রোম হয় না বললেই হয়, আর সেটা গায়ে লাগলেও চুলকোয় না। এটির চাষ হয় ভারতের উত্তর প্রদেশে। প্রাচীনগণের মতে চরক সংহিতায় এইটিই কাকান্ডোল নামে পরিচিত। এর বোটানিকাল নাম Mucuma utilis Wall তবে কাকান্ডোল নামে প্রচলিত গাছটির বীজ আলকুশীর বীজ বলে বিক্রি হয়ে থাকে।

কালীপদ বিশ্বাস ভারতীয় বনৌষধি গ্রন্থে এ গাছের অসংখ্য কার্যকর ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেছেন। গাছের স্বাদুরস বায়ু ও ক্ষয়নাশক, রক্তদোষ ও ব্রণনাশক। বীজ ভেঙে মাষকলাইয়ের সঙ্গে জুস বানিয়ে খেলে শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া গাছের বীজ, শাক ও মূল বাত, জ্বর এবং কৃমি প্রতিরোধে কার্যকর। বিছার কামড়ে বীজগুঁড়া লাগালে কাজ হয়। এ গাছ পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে উৎকৃষ্ট পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহার্য। ফল একসময় কফির বিকল্প হিসেবে ব্যবহূত হতো।

আরও পড়ুনঃ   ইলেক্ট্রনিকস বর্জঃ স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি

এটি আয়ুর্বেদীয় চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। রক্তের ক্লোরোস্টেরল ও
ডায়াবেটিক সমস্যায় এটি ব্যবহৃত হয়। পার্কিনসন রোগেও এটা কর্যকরী। বুকে জমে থাকা কফ সারাতে এর মূল বেশ কার্যকরি। এর পাতা শাকের মত রেধে খেলে রক্তপিত্ত থেকে আরোগ্য হবে। স্নায়বিক দুর্বলতায় এবং বিছা বা কাঁকড়ার কামড়ে বীজ ব্যবহৃত হয়। ফলের লোম কৃমিনাশক।

নিম্নে এই লতাটির প্রধান লোকায়তিক ঔষধি ব্যবহার উল্লেখ করা হলো:

১. দর্শনে ক্ষরণ: অল্প বয়সে কুঅভ্যাসজনিত শুক্রক্ষয় হয়, যার পরিণতিতে শুক্রতারল্য হয়, সেক্ষেত্রে আলকুশী বীজ ৪ থেকে ৫টি প্রতিদিন আধা কাপ গরম দুধে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে খোসা ছাড়িয়ে, শিলে বেঁটে ২ থেকে ৩ চা চামচ ঘিয়ে অল্প ভেজে ঐটা একটু চিনি বা মিছরির গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে হবে; তারপর একটু দুধ খেতে পারলে ভাল হয়। উপরিউক্ত পদ্ধতিতে এই বীজ ব্যবহার করলে শুক্রের গাঢ়ত্ব ফিরে আসবে।

২. রক্তপিত্ত: এক্ষেত্রে ২০ গ্রাম আন্দাজ আলকুশীর বীজ অগের দিন রাতে ভিজিয়ে রেখে পরদিন তার খোসা ছাড়িয়ে, একটু থেঁতো করে ৫ থেকে ৬ কাপ জলে সিদ্ধ করে আন্দাজ ৩ কাপ থাকতে নামিয়ে রেখে দিতে হবে এবং জলটা থিতিয়ে গেলে, উপর থেকে জলটা ঢেলে নিয়ে সমস্ত দিনে ৩ থেকে ৪ বারে ঐ জলটা খেতে দিলে ২ থেকে ৪ দিনের মধ্যে রক্তপাত বন্ধ হয়ে যাবে। আরও ভাল হয় যদি এর সঙ্গে আলকুশী গাছের কচি পাতা শাকের মতো রান্না করে ৮ থেকে ১০ গ্রামের মতো খাওয়ার সুবিধা হয়।

৩. অববাহুক রোগ: উপরে কোনো জিনিস আছে যা একটি উচু জায়গায়, অন্যকে ডাকতে হচ্ছে পেড়ে দিতে ; হাত কিছুটা কোনো রকমে উঠলো বটে, কিন্তু বহু কষ্টে; এই সমস্যা ডান বা বাঁ যে কোনো হাতেই হতে পারে। এটা প্রৌঢ়কালেই বেশি হতে দেখা যায়। সাধারণত ৩০ থেকে ৩৫ বছর বয়সের নীচে এ রোগটা তেমন হাতে হয় না। এক্ষেত্রে আলকুশী গাছের মূল জল দিয়ে বেঁটে, আন্দাজ এক চা চামচ রস করে, পর পর কয়েকদিন খেলে ওটা কমতে থাকে; বেশ কিছুদিন খেলেই ওটা সেরে যায়। যদিও জানি এই লতাগাছটি গ্রামাঞ্চলে মাঝে মাঝে দেখা গেলেও, তবে লোকে এ গাছ বাড়ির নিকটে রাখতে চায় না, তাই বর্তমানে এটি দূষ্প্রাপ্য বা দূর্লভ হয়ে ওঠে এই ধরনের বনৌষধি ।

৪. ভগ্নধ্বজে: যৌবনের উন্মাদনায় অতিরিক্ত সঙ্গ করলে পরিণামে কি শারীরিক কি মানসিক সবই ম্রিয়মাণ হয়। এক্ষেত্রে এই আলকুশী বীজকে রাতে জলে ভিজিয়ে রেখে, সকালে খোসা ছাড়িয়ে, ঐ ছাড়ানো বীজগুলোকে সমান পরিমাণ দুধে-জলে মিশিয়ে সিদ্ধ করে, ঐ বীজ শিলে পিষে, তাকে ঘিয়ে ভেজে, চিনি মিশিয়ে হালুয়ার মতো করে রাখতে হবে, একসঙ্গে বেশি করার দরকার নেই, ৪ থেকে ৫ দিনের মতো একসঙ্গে করাই ভালো।

আরও পড়ুনঃ   পরিবেশ ও স্বাস্থ্য রক্ষায় নিম

ঔষধার্থে মাত্রা হলো ৫ গ্রাম করে সকালে ও বিকালে দু’বেলা খাওয়া, আর এইটি খাওয়ার পর একটু দুধ ১ কাপ পরিমাণ খাওয়া দরকার। এক সপ্তাহের পর থেকে কিছুটা উন্নতি হচ্ছে বুঝতে পারবেন। আর অল্প কিছুদিনের মধ্যে ঐ অসুবিধেটা চলে যাবে।

৫. মাংসপেশীগত বাতে: এই রোগ সাধারণত শিশু বা বালকদের বেশি দেখা যায়। এদের চেহারা হবে থসাথসে, এরা ছুটতে পারে না, দেহের ভারসাম্য রেখে চলার ক্ষমতা কম; পায়ে হলে হাঁটু ভেঙ্গে পড়ে যেতে দেখা যায়। আর পেশীগুলি ঢিলঢিল করে, বর্তমান পাশ্চাত্য চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা যাকে বলে থাকেন এট্রোপি অফ দি মাসল (Atrophy of the muscle); এদের ক্ষেত্রে আলকুশী বীজের গুঁড়ো আধ গ্রাম করে গরম দুধে মিশিয়ে খেতে দিতে হবে। এর দ্বারা ঐ পেশীগত বাত নিরাময় হবে। এদের ক্ষেত্রে নিষেধ হলো যে কোনো মিষ্টি জাতীয় খাবার; এদের পক্ষে তিক্ত রসের খাদ্যই বেশি উপকারী আর কোনো প্রকার মালিশ বা সেক দেওয়ার দরকার নেই, এই প্রক্রিয়াতেই উপকার হবে।

৬. মাসিক ঋতুর কৃচ্ছ্রতায়: সাধারণত দু’টা কারণে এই রোগ হতে দেখ যায় যাঁরা মেদস্বিনী, আর যাঁদের রক্তাল্পতা এসেছে; আরও একটা কারণে দেখ যায় যাঁদের হরমোনে অসাম্য রয়েছে। এদের ক্ষেত্রে উপরিউক্ত কারণ দুটির জন আলকুশীর বীজ চূর্ণ আধ গ্রাম মাত্রায় খেলে ওটার রেহাই যে একেবারে হবে তা নয় প্রথমোক্তটির জন্য তাঁর মেদকে কমাতে হবে, আর দ্বিতীয়টির জন্য তাঁর রক্তকণিক যেসব ঔষধে বৃদ্ধি হয় সেটার ব্যবস্থাও করতে হবে; সুতরাং এসব ক্ষেত্রে রোগের চিকিৎসা যুগপৎ না হলে সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করা সম্ভব হবে না আর তৃতীয় ক্ষেত্র আরও কঠিন। এক্ষেত্রে আরও গভীরে চিকিৎসা করতে হবে।

৭. ক্ষীণ শুক্র: কথায় আছে, জাতও যায়, পেটও ভরে না। মনের অবস্থাটি যেন সেই রকম যেন চাতকপাখির ফটিক জলের কামনার মতো। যাক এই অবস্থাটায় নিজেকে অসহায় বোধ করতে হয়। মন চায় কিন্তু ক্ষমতার অভাব বাস্তবে। এই ক্ষেত্রটিতে এই আলীকুশীর বীজ চূর্ণ মৃদু আগুনে ঘিয়ে অল্প ভেজে রেখে দিতে হবে ১ চা চামচ মাত্রায় নিয়ে সকালে ও বিকালে এক কাপ দুধের সঙ্গে অল্প চিনি মিশিয়ে খেতে হবে। এর দ্বারা মাসখানেকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য উপকার যে হয়েছে তা বাস্তবে উপলব্ধি করা যাবে।
তথ্যসূত্রঃ ১. আয়ূর্বেদাচার্য শিবকালী ভট্রচার্য: ‘চিরঞ্জীব বনৌষধি‘ খন্ড ২, আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রথম প্রকাশ ১৩৮৪, পৃষ্ঠা,২২২-২২৪।

আলকুশির ব্যবহারবিধি ও উপকারিতা : আলকুশীর প্রধান ব্যবহার বাজীকর ঔষধ হিসেবে । যে ঔষধ অতিমাত্রায় শুক্র সৃষ্টি করে অথবা অশ্বের মত রমণে প্রবৃত্ত করে তাঁকে বাজীকর ঔষধ বলা হয় । আলকুশির বীজকে রাত্রিতে পানিতে (অথবা গরম দুধে) ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং পরদিন সকালে বীজের খোসা ছাড়াতে হবে । খোসা ছাড়ান বীজকে এমনিতে অথবা দুধ-পানিতে একটু সিদ্ধ করে পিষে নিতে হবে এবং অল্প ঘি-এ ভাজতে হবে । পরে এর সাথে চিনি মিশাতে হবে । এ থেকে সকাল বিকাল ২ চা চামচ করে খেতে হবে এবং ঔষধ খাবার পর অন্তত এক কাপ দুধ খেতে হবে । এভাবে কিছুদিন খেলেই বাজীকরণ নির্বাহ হবে । যাতদের ধ্বজভঙ্গ, শুক্রতারল্য, বা স্ত্রীলোক দর্শনেই শুক্রক্ষরন হয় তাঁদের জন্য এটি অত্যন্ত বিশ্বস্ত পথ্য। আলকুশীর বীজ চূর্ণ করে মাষ কলাইয়ের সাথে জুস তৈরি করে খেলেও বলবান ও বাজীকরন নির্বাহ হয় । বাতব্যথা এক প্রকার বাতব্যাধি আছে যাতে হাত উপরে উঠানো যায় না । এরূপ ক্ষেত্রে আলকুশী শিকড়ের রস কয়দিন নিয়মিত খেলে তা সেরে যায় । আলকুশীর বীজ ঋতুস্রাবকারী এবং বেশ বলকারক । অন্যান্য রোগে সন্তান প্রসব অথবা অন্য কোন কারণে স্ত্রীলোকের যোনী প্রসারিত হয়ে গেলে আলকুশির শিকড়ের ক্বাথে একখণ্ড পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে তা যোনীতে ধারন করলে যোনী সঙ্কীর্ণতা প্রাপ্ত পায় । বিছা ও অন্যান্য বিষাক্ত পোকা-মাকড়ে দংশন করলে তাতে আলকুশীর বীজ চূর্ণ করে লাগালে বিষ নষ্ট হয়ে যায় । সাবধানতা: আলকুশীর অপকারিতা আলকুশীর ফলের উপরের শুয়া অত্যন্ত বিষাক্ত । এটি লাগলে ত্বকে অত্যন্ত চুলকানি ও জ্বালাযন্ত্রণা আরম্ভ হয় । কাজেই বীজ সংগ্রহ কালে অত্যন্ত সাবধান ও যত্নবান হওয়া আপরিহার্য । আলকুশির গাছ আমাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী যার ঔষধি গুণাগুণ অনেক । আমাদে সকলেরই উচিত নিয়মিত আলকুশী সেবন করা এবং এর যথার্থ ব্যবহার করা উচিত।

আরও পড়ুনঃ   সৌদি খেজুর চাষ করবেন যেভাবে

আলকুশী একটি ওষুধী গাছ। এর রয়েছে অনেক গুণ। এ গাছ ব্যবহার করে নানাবিধ অসুখ থেকে আরোগ্য লাভ করার সুয়োগ রয়েছে। এ গাছের গুণাবলি তুলে ধরেছেন ড. তপন কুমার দে তার ‘বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় গাছ-গাছড়ার’বইয়ে।

১) কোন পোকামাকড়ের কামড়ে বা বিছের দংশনে আলকুশীর বীজের গুড়া লাগালে অনেকাংশ যন্ত্রণা কমে যায়।

২) এর শিকড়ের রস এক চামচ করে একমাস খেলে আমাশয় রোগ সারে।

৩) আলকুশীর পাতার রস ফোঁড়ায় দিলে অচিরেই সেটি ফেটে যায়।

৪) এর বীজ চিনি ও দুধসহ সেদ্ধ করে খেলে বাত রোগের উপশম হয়, শারীরিক দুর্বলতা দূর হয়, শুক্র বৃদ্ধি গাঢ় হয় এবং স্নায়বিক দুর্বলতা দূর করে।

৫) এর শিকড়ের রসে জ্বর, সর্দি-কাশি ভালো করে।

৬) আলকুশীর শিকড়ের মণ্ডু মূত্রবর্ধক ও মূত্রযন্ত্রের রোগ নিরাময়ে বেশ উপকার।

৭) এর কাণ্ডের রস চোখের রোগের ক্ষেত্রেও ফলপ্রসূ।

৮) শিকড়ের রস জীবজন্তুর গায়ের ঘায়ে লাগালে ক্ষত দ্রুত সরে যায়।

বিশুদ্ধ আলকুশি কোথায় পাবেন? বিশস্ত কোন বুনিয়াদি দোকানে খোঁজ নিতে পারেন। বা বিডি হেলথ আলকুশি কিনতে পারেন এবং নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

thirteen + 14 =