ক্যানসার সেল নষ্ট করে বিট

0
beet
বিট খাওয়ার উপকারিতা

বিট খেতে ভালোবাসেন অনেকেই। তাহলে আজকে জেনে নিন বিট খাওয়ার উপকারিতা। বিটের মধ্যে বিভিন্ন ধরণের মিনারেল পাওয়া যায় যেমন ক্যালসিয়াম‚ আয়রন‚ ম্যাগনেসিয়াম‚ পটাসিয়াম‚ সোডিয়াম ফসফরাস আর জিঙ্ক। এছাড়াও এতে ফোলেট এবং ভিটামিন এ, বি, সি, পাওয়া যায়। এছাড়াও এতে আরও রয়েছে নাইট্রেট আর ফটোকেমিক্যাল কম্পাউন্ড আছে যা শরীরের জন্য খুব উপকারী। আসুন দেখে নেওয়া যাক বিট খাওয়ার উপকারিতা রয়েছে-

১) অ্যান্টি অক্সিডেন্ট দূর করেঃ বিটরুট শরীরকে ফ্রি রেডিক্যাল এর ক্ষতিকারক হাত থেকে বাঁচায়। শরীরে ফ্রি রেডিক্যাল বিভিন্ন কারণে তৈরি হতে পারে যেমন লাইফস্টাইল‚ স্ট্রেস। এছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকারক কেমিক্যালের সংস্পর্শে এলে ফ্রি রেডিক্যাল তৈরি হয়। নিয়মিত ধূম পানের থেকেও এটা হতে পারে। এর ফলে ক্যান্সার‚ আর্থারাইটিস এবং অ্যালঝাইমারস ডিজিজ হতে পারে। বিটে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকায় ফ্রি রেডিক্যাল এর ক্ষতিকারক দিক থেকে শরীরকে বাঁচায়। ফলে এই সবজি নিয়মিত খেলে বিভিন্ন রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা বেড়ে যায়।

২) উচ্চ রক্তচাপ কমায়ঃ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে বিটের জুড়ি নেই। বিভিন্ন পরীক্ষা করে দেখা গেছে, যারা বিটের জুস পান করে তিনঘন্টার মধ্যে রক্তচাপ কমে গেছে তাদের। এটা হয় কারণ বিটের মধ্যে নাইট্রেট আছে যা শরীরে নাইট্রিক অক্সাইডে পরিবর্তন হয় যা রক্তচাপ কমায়।

৩) ক্যান্সার সেল নষ্ট করেঃ রাশিয়ার এক রিসার্চ থেকে জানা গেছে, বিটরুট লাং এবং ত্বকের টিউমার রোধ করে। এছাড়াও দেখা গেছে প্রস্টেট আর ব্রেস্ট ক্যান্সারের সেল নষ্ট করতে পারে বিটরুট। মনে করা হয় বিটে অবস্থিত বেটানিন এমনটা করতে সাহায্য করে।

৪) কর্মক্ষমতা বাড়ায়ঃ শরীরকে সুন্দর এবং ফিট রাখার জন্য রোজ জিম করেন। এখন থেকে তার সঙ্গে খান বিট। এটি পেশীর শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও খুব তাড়াতাড়ি এনার্জি আনতে খেতে পারেন বিটের রস। জিমের পর খুব ক্লান্ত লাগলে খেয়ে নিন একগ্লাস বিটের রস। মুহূর্তে এনার্জি আসবে।

আরও পড়ুনঃ   খাবার দু'বার গরম করলে কী সমস্যা হয় জেনে নিন

৫) বুদ্ধি বাড়াতে সাহায্য করেঃ বিট খাওয়ার ফলে ব্রেনে রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। যারা নিয়মিত বিট খেয়েছে তাদের চিন্তা ভাবনা করার ক্ষমতা অন্যদের তুলনায় অনেকটাই বেশি।

৬) লিভার সুরক্ষিত রাখেঃ বিট হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করতে সাহায্য করে। বদহজম ছাড়াও, এটি পেটের অন্যান্য রোগ যেমন জন্ডিস, ডায়রিয়া, প্রভৃতি রোগের ক্ষেত্রে খুব উপকারি। এটি ফ্যাটি লিভারের সমস্যাও নিয়ন্ত্রণ করে। লিভারের ফাংশানকে ভালো রাখে।

৭) ডিপ্রেশন দূর করেঃ শীতে বিট জুসই হতে পারে সেরা প্রাকৃতিক ওষুধ। ডিপ্রেশন দূর করতে বিটের মত উপকারি উপাদান খুব কমই আছে। মন ভালো না থাকলে খান বিটের শরবত। এতে থাকা বিটেইন ও ট্রিপটোফোন নামক উপাদান মন ভালো রাখতে সাহায্য করে।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিট জুস পান করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

nineteen − six =