চিরতার গুণ/চিরতার উপকারিতা- চিরতার পানি পানের ৩০ টি উপকারিতা

0
2794
চিরতার পানি

চিরতার গুণের চমক,চিরতা হোক আপনার নিত্যসঙ্গী

পাকস্থলির সুস্থতায় চিরতা দারুণ কার্যকর। নিয়মিত চিরতার পানি পানে বদহজম, গ্যাস, আলসার রোধ সম্ভব। দেহের দুর্বলতা কাটিয়ে শক্তি সামর্থ বাড়িয়ে দেয়। অনিদ্রা, বিষণ্ণতা দূর করতেও চিরতার গুণ অতুলনীয়। চিরতা হৃৎপিণ্ড ও যকৃত সবলকারক হিসেবে দারুণ পরিচিত। রক্তে দূষিত পদার্থ দূর করতেও চিরতা দারুণ ভূমিকা রাখে। হজমক্ষমতা বাড়িয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে চিরতা গুণ।

চিরতার নাম সবাই জানে। কোন তিক্ততাকে তুলনা করতে চিরতার মত তিতা এরূপ শব্দ ব্যবহার করতে শোনা যায়। চিরতাকে যেন আল্লাহ শুধু তিক্ত স্বাদ দিয়েই সৃষ্টি করেছেন, তা কিন্তু নয়। চিরতার মধ্যে অনেক রোগের উপশম রয়েছে। আল্লাহ তায়ালা কোন জিনিসকেই অনর্থক সৃষ্টি সৃষ্টি করেননি। চিরতা সাধারণত হিমালয়ের উষ্ণ মন্ডলীয় অঞ্চলে বেশী জন্মে। কাশ্মীর নেপাল ও ভুটানের পাহাড়ী এলাকায় সবচেয়ে বেশী পাওয়া যায়। চিরতা ইউনানী ও আয়ৃর্বেদিক অনেক ঔষধ তৈরীতে কাচামাল হিসাবে চিরতা ব্যবহার করা হয়। আমাদের দেশে চিরতা জন্মে না। চিরতা ও কালমেঘ দুটোই তিক্ত। তাই অনেকে কালমেঘ গাছকেই চিরতা বলে চালিয়ে দেয়। চিরতা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। সংক্রামক অসুখগুলোর বিরুদ্ধেও রয়েছে চিরতার অগ্রণী পদক্ষেপ।

গবেষণা করে দেখা গেছে, যারা নিয়মিত তিতা খাবার খান, তাদের অসুখ হওয়ার প্রবণতা কম থাকে। যে কোনো কাটা, ছেঁড়া, ক্ষতস্থান দ্রুত শুকায়। চিরতার স্বাদ তেতো হলেও এই ফলটির রয়েছে নানান গুণ। চিরতার পাতলা ডালপালা ধুয়ে পরিষ্কার করে গ্লাস বা বাটিতে পানিতে সারা রাত ভিজিয়ে রেখে সকালে ওই পানি খেতে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

ইউনানী চিকিৎসা অনুযায়ী চিরতা হৃৎপিণ্ড ও যকৃতের সবলকারক, চোখের জ্যোতিবর্ধক ও জ্বর রোগে বিশেষ উপকারী এই চিরতা। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে চিরতার উপকারিতা ও গুণাগুণ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হল-

১। রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা: শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

২। অসুখ হওয়ার প্রবণতা: নিয়মিত তিতা খাবার খেলে অসুখ হওয়ার প্রবণতা কম থাকে। চিরতা এর মধ্যে অন্যতম।

৩। প্রচন্ড বমি: চিরতা পিত্তজ্বর বা ঘন ঘন বমি হচ্ছে গায়ে হালকা জ্বর আছে। পেটে কোন কিছুই থাকছেনা সেক্ষেত্রে ২ কাপ গরম পানিতে ৫ গ্রাম চিরতা একটু থেতো করে ভিজিয়ে রাখতে হবে। ২-৩ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে ওটা ছেঁকে অল্প অল্প করে খেলে এই সমস্যা দুর হয়ে যাবে।

৪। ইনফ্লুয়েঞ্জা: ৫-১০ গ্রাম চিরতা ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ২ কাপ থাকতে নামিয়ে ছেকে সকালের দিকে অর্ধেক এবং বিকালের দিকে অর্ধেক খেতে হবে।

৫। রক্তপিত্ত: রক্তপিত্ত সমস্যায় ৪-৫ গ্রাম চিরতা দেড় বা দুই কাপ ঠান্ডা পানির মধ্যে ঘন্টা খানিক ভিজিয়ে রেথে এই পানি ৩-৪ বারে খেতে হবে।

৬। টাইফয়েড জ্বর: টাইফয়েড জ্বর হওয়ার পর আবারও অনেকের প্যারাটাইফয়েড জ্বর হয়। তাই টাইফয়েড জ্বরের পরে চিরতার রস খেলে যথেষ্ট উপকার পাওয়া যায়।

আরও পড়ুনঃ   তেলাপিয়া মাছের ক্ষতিকর কিছু দিক জেনে নিন

৭। কৃমির উপদ্রবে: পেটের উপরের অংশে মোচড়স দিয়ে ব্যাথা সাধারণত ২-৮ বছরের বাচ্চাদের এই সমস্যা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে ২৫০ মিঃলিঃ থেকে ৫০০ মিঃলিঃ চিরতা ভিজানো পানি অল্প মধু বা চিনি মিশিয়ে খাওয়ালে ক্রিমির উপদ্রব কমে যাবে এবং পেট ব্যাথা ভাল হয়ে যাবে।

৮। তারুণ্য: তারুণ্য ধরে রাখতেও চিরতার গুরুত্ব অপরিসীম। নিজের তারুণ্য ধরে রাখার জন্য রোজ চিরতার জল খেতে পারেন। কারণ চিরতা রক্তকে পরিষ্কার করে। রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। যেটি তারুণ্য ধরে রাখার একটি শর্ত।

৯। ঝিমুনি: শরীরের ঝিমুনিভাব, জ্বরজ্বর লাগা দূর করে চিরতার রস।

১০। ফুড পয়জনিং: নিয়মিত তিতা বা চিরতার রস খেলে ফুড পয়জনিং হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে।

১১। চুলকানি: যে কোন ধরণের চুলকানি রোগে ২০ গ্রাম চিরতাকে অল্প পানিতে ছেঁচে লোহার কড়াইয়ে সরষের তেল গরম করে তাতে ভাজতে হবে যেন পুড়ে না যায়। এরপর এই তেলটাকে নামিয়ে ছেঁকে অল্প অল্প করে নিয়ে চুলকানিতে ঘষে লাগালে ২-৩ দিনের মধ্যে ভাল ফল পাওয়া যায়।

১২। শোথ: শোথ রোগে এমনকি এলার্জির কারণে শরীর চুলকে ফুলে উঠলে রাতে ৪-৫ গ্রাম চিরতা ২৫০ মিলি গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন ছেকে ২-৩ বারে ঐ পানি পান করলে রোগ ভাল হয়।

আরও কিছু উপকারিতা নিম্নরুপঃ

১৩।ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস:

আমরা জানি তেঁতো খাবার খেলে শরীর ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস থেকে কম আক্রান্ত হয়। তার ফলে শরীর কম অসুস্থ হয়। আর চিরতার স্বাদ অত্যন্ত তেতো। তাই চিরতা জল শরীরকে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হবার হাত থেকে বাঁচায়।

১৪। অ্যালার্জির সমস্যা:

অনেকেরই মারাত্মক অ্যালার্জির সমস্যা থাকে। অ্যালার্জির জন্য শরীর ফুলে যায়, চোখ ফুলে যায় ও আরও সমস্যা হয়। চিরতা এক্ষেত্রে উপকারি। রোজ সকালে চিরতার জল খান উপকার পাবেন। এছাড়াও ত্বকের অন্যান্য সমস্যাও নিয়ন্ত্রণ করে চিরতার জল।

১৫। লিভারকে পরিষ্কার:

আজকাল অনেকেই লিভারের সমস্যায় ভোগেন এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে চিরতার জল উপকারি। চিরতার জল লিভারকে পরিষ্কার রাখে। এছাড়া লিভারের বিভিন্ন সমস্যা যেমন ফ্যাটি লিভার ও আরও অন্যান্য সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতেও সাহায্য করে।

১৬।শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার:

চিরতা পরিস্কারক হিসাবেও কাজ করে। চিরতার জল শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন বার করে। শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখে। ও ফ্রেশ রাখে। যেটা শরীরকে সুস্থ রাখতে খুব জরুরি।

১৭। ত্বকের যত্ন:

ত্বকের জন্যও চিরতা খুব উপকারি। ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা যেমন, চামড়ার ঘা, অন্যান্য ক্ষত সারাতে অনবদ্য। এছাড়াও ত্বকের অন্যান্য যেকোনো ইনফেকশন সারাতে এটি উপকারি। রোজ যদি চিরতার জল খাওয়া যায় তাহলে স্কিন ইনফেকশনের হাত থেকে বাঁচা যায়। ত্বক ভালো থাকে।

১৮।বদহজম, অ্যাসিডিটি:

যদি হজমের সমস্যা থাকে তাহলেও খেতে পারেন চিরতার জল। এটি বদহজম, অ্যাসিডিটি থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও যদি কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা থাকে তাহলে চিরতার জল খুব উপকারি। এই সকল সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার জন্য রোজ চিরতার জল খেলে উপকার পাবেন।

আরও পড়ুনঃ   ধনেপাতা খাবেন কেন?

১৯। রক্তশূণ্যতা কমায়:
চিরতা দেহে রক্তকোষ গঠন করে। তাই চিরতা সেবনে রক্তশূন্যতা কমে যায়। এমনকি ঋতুস্রাব বা মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে তাও কমাতে পারে। কোথাও কেটে গেলে সে কাটা স্থানে চিরতার রস লাগিয়ে দিলে দ্রুত রক্ত পড়া বন্ধ হয়। অভ্যন্তরীন রক্তক্ষরণ, নাক দিয়ে রক্তপড়া এসবও চিরতা বন্ধ করতে পারে। তবে চিরতা যেহেতু ব্লাড সুগার লেবেলকে কম করে, তাই এটি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া উচিত। আর চিরতা খুব তেঁতো তাই বমি হয়ে যাবার সম্ভবনা থাকে। এছাড়া চিরতার জল খুবই উপকারি সেটা দেখলেন। তাই শরীরকে সুস্থ্য রাখার জন্য এবার থেকে রোজ খান চিরতার জল।

২০। সংক্রামক অসুখ-বিসুখ:

চিরতা নানা রকম সংক্রামক অসুখ-বিসুখের হাত থেকে আপনাকে রক্ষা করবে। কারণ চিরতায় রয়েছে এমন কিছু উপাদান, যা সাধারণ সর্দি, কাশি প্রতিরোধ করে। দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এটি। সেই সাথে কাটা-ছেঁড়া ও ক্ষতস্থান দ্রুত সারাতে সাহায্য করে এই উপাদান।

২১।ডায়াবেটিস:

ডায়াবেটিস নানা ধরণের হতে পারে। তবে যে কোন ধরণের ডায়াবেটিস রোগে চিরতা চূর্ণ ৫০০ মিলি এবং গোক্ষর চূর্ণ ২ গ্রাম মাত্রায় মিশিয়ে সকাল বিকাল দুবার পানিসহ খেলে রোগ ভাল হয়। আপনি যদি ডায়াবেটিস রোগী হয়ে থাকেন, তাহলে তা নিয়ন্ত্রণ করতেই পারেন নিয়মিত ভাবে চিরতার রস পান করে। চিরতার রস রক্তে চিনির মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।  উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ, অতি ওজনবিশিষ্ট ব্যক্তির জন্যও চিরতা দরকারি।

২২। চুল পড়া:

অল্প বয়সে মাথার চুল সব পড়ে টেকো হওয়ার উপক্রম হলে কার ভালো লাগে বলুন! তাই চুল পড়তে আরম্ভ হলে আপনি চিরতার সাহায্য নিতে পারেন বৈ কী!

উপকরণ

 ২/৩ গ্রাম চিরতা ডাল-পাতা সহ।

পদ্ধতি

চিরতা ডাল-পাতা সহ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন পুরো ১দিন। পরের দিন সেই পানি ভালো করে ছেঁকে অল্প অল্প করে মাথায় লাগান। ১ ঘন্টা পরে গোসল করে ফেলুন। এভাবে ১ দিন পর পর ১ সপ্তাহ ব্যবহার করলে চুল পড়া রোধ করতে পারেন আপনি সহজেই।

২৩। বমি বন্ধ:

গর্ভাবস্থায় কিংবা কোনো অসুখ-বিসুখে ক্রমাগত বমি হতে থাকলে ১ গ্রাম চিরতা চূর্ণ মধু বা চিনির পানিসহ খেলে বমি বন্ধ হয়ে যায়।

২৪। দূষিত ক্ষত/ পচা ঘা/এলার্জি বা ত্বকে খোস পাঁচড়া:

ত্বকে এলার্জি, খোসপাঁচড়া কিংবা কোনো ঘা হলে পরিমাণ মতো চিরতা সরিষার তেল দিয়ে ভেজে নিন। এবার সেটা ঠান্ডা করে অল্প অল্প করে চুলকানির জায়গায় লাগিয়ে দিন। এতে যে কোনো ধরনের চুলকানিই অল্প সময়ের মধ্যে ভালো হয়ে যাবে/যে সমস্ত ক্ষত বা পচা ঘা সহজে সহজে সারছেনা সেসমস্ত ঘা এর ক্ষেত্রে ১০ গ্রাম চিরতা রাতে ১ কাপ/গ্লাস গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন এই চিরতা ভিজানো পানি দিয়ে দূষিত ক্ষত, পচা ঘা ধুয়ে দিলে ২-৩ দিনের মধ্যে পচা ঘা বা ক্ষত ভাল হয়ে যাবে।

আরও পড়ুনঃ   কাঁচা রসুনের যে ১০টি বিস্ময়কর ব্যবহার আপনি জানেন না

২৫নতুন প্রসূতির রোগে: নতুন প্রসূতির স্তন্যদুষ্টির কারণে শিশুর পেট ফাঁপা, বমি, সবুজ মল, টক গন্ধযুক্ত মল। এই অবস্থায় মাকে চিরতা ৪-৫ গ্রাম চিরতা ২ কাপ পানিতে ৩-৪ ঘন্টা ভিজিয়ে পান করালে মায়ের অম্লদুষ্টি ও আমরসের পরিপাক হয়ে স্তন্য স্বাভাবিক হবে এবং শিশুর রোগ ভাল হয়ে যাবে।

২৬শ্বাস কষ্ট: চিরতা চূর্ণ ৩ গ্রাম ৩ ঘন্টা পরপর মধুসহ খেলে শ্বাসের প্রবল টান কমে যাবে। শ্বাস টান কমে গেলে দৈনিক ৩ বার নিয়মিত কিছুদিন খেলে ঠান্ডা এলার্জি জনিত হাঁপানি ভাল হয়ে যায়।

২৭। প্রবল হাঁপানিত: একজিমার সাথে যাদের হাঁপানি অথবা অর্শ্বে রক্ত পড়া বন্ধ হওয়ায় হাঁপানি প্রবলাকার ধারণ করেছে, এমনটি হলে আধা গ্রাম চিরতা চূর্ণ ৩ ঘণ্টা অন্তর ২-৩ বার মধুসহ চেটে খেতে হবে। ফলে হাঁপানির প্রকোপটা কমে যাবে।

২৮। হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
চিরতার মধ্যে শক্তিশালী এন্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা বার্ধক্যকে বিলম্বিত করে দিতে পারে। এমনকি নিয়মিত চিরতা সেবনে ক্যানসার ও হৃদরোগে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়।

২৯। দৃষ্টিশক্তি: চিরতা চোখের দৃষ্টিশক্তিকে বাড়িয়ে দিতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

৩০। ক্যানসার প্রতিরোধ: দেহে ক্যানসারের জীবানু ঢুকতে বাধা দেয় এবং প্রতিরোধ গড়তে সহায়তা করে। বিশেষ করে স্তন ক্যানসার রুখতে বেশি কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

দেখলেন তো? এত তেঁতো একটা পানীয় কতো সহজেই আপনার কতগুলো সমস্যার সমাধান করে দিতে পারে? শুধু তাই নয়, তারুণ্য ধরে রাখতেও চিরতার রস পান করার কোনো জুড়ি নেই। তাহলে দেরী না করে আজ থেকেই না হয় একটু কষ্ট করে নিয়মিত পান করা শুরু করুন চিরতার রস? এতে আপনার শরীরের অনেক অনেক সমস্যার সমাধান তো হবেই, সেই সাথে আপনার ফিগার আর ত্বকও হয়ে উঠবে আকর্ষণীয়।

ঔষধী গুণ:- ফুলন্ত অবস্থায় পুরো গাছ তুলে শুকিয়ে নিয়ে ওষুধের কাজে ব্যবহার করা হয়। অত্যাধিক তিক্ততা, জ্বর ও কৃমিনাশক শক্তি এবং পাচকতার গুণে চিরতা সারা ভারতে সুপ্রসিদ্ধ। ঔষধী গুণে, চিরতা জেণ্টিআনা কুরুর অনুরূপ। জ্বর, অতিসার এবং দুর্বলতায় চিরতা খুব উপকারী। ম্যালেরিয়াতেও দেওয়া হয় কিন্তু চিরতার জ্বর কমানোর শক্তি পরীক্ষায় প্রমাণিত নয়।

উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল, উচ্চরক্তচাপ, মুটিয়ে যাওয়া মানুষের নিয়মিত চিরতার পানি পান করা উচিত।

সতর্কতাঃ

১) গর্ভবতী অবস্থায় চিরতার রস পান করা উচিৎ নয়।

২) একটানা ১৫-৩০ দিন খেয়ে ১৫-৩০ দিন বিরতি দিন। কিছুদিন পর আবার এ রকম করুন যদি নিয়মিত খেতে চান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

fourteen − twelve =