চেকআপের সময় অবশ্যই জানুন এই বিষয়গুলো

0
চেকআপ

চেকআপের সময় আমরা নিজেরাই ডাক্তারের কাছ থেকে অনেক কিছু জানতে ভুলে যাই। তাই যা জানতে চান তা লিখে তালিকা করে নিয়ে যান। অ্যাপয়েন্টমেন্টের শেষে বিভিন্ন প্রশ্নের অবতারণা করলে সময়ের অভাবে ডাক্তার হয়তো উত্তর নাও দিতে পারেন, অথবা আপনি যা জানতে চান তা জানা নাও হতে পারে। সাধারণত একেক রোগীর পেছনে ২০ মিনিটের মতো সময় ব্যয় করা হয়। এ কারণে অ্যাপয়েন্টমেন্টের শুরুতেই তাকে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে নিন। তিনি আপনার শারীরিক অবস্থার ব্যাপারে আরো পরিষ্কার ধারণা পাবেন। ফলে চেকআপ ভালো যাবে।

জেনে নিন বিভিন্ন ভ্যাকসিনের ব্যাপারে: ভ্যাকসিন শুধুই বাচ্চাদের জন্য নয়। বরং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যও অনেক ভ্যাকসিন আছে যেগুলো আপনাকে বিভিন্ন জটিল রোগবালাই থেকে দূরে রাখবে।

এ ব্যাপারে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন। শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে আপনার কী কী টিকা নেওয়া দরকার।

জেনে নিন সন্তান ধারণের ব্যাপারে: একটা বয়সের পর আপনার গর্ভধারণের ক্ষমতা কমে যেতে থাকে। এবং এ ব্যাপারে অনেকটা লজ্জা ও জড়তার কারণে রোগীরা প্রশ্ন করতে চান না। কিন্তু এ ব্যাপারে জেনে নেওয়াটা প্রয়োজন।

বিশেষ করে আপনি ভবিষ্যতে সন্তান ধারণ করতে চাইলে তা করতে পারবেন কি না, কোনো সময়ে আপনি সন্তান ধারণ করলে ভালো হবে, এর জন্য কি কি করতে হবে এগুলো জেনে নেওয়াটা ভালো। এই ব্যাপারটা মাথায় রেখেই তখন আপনার চিকিৎসা করতে পারবেন তিনি।

পরবর্তি চেকআপ সম্পর্কে জেনে নিন: অনেকেই বাৎসরিক একটা চেকআপ করিয়ে থাকেন। কিন্তু অনেক সময়ে আপনার স্বাস্থ্যের অবস্থা ভালো থাকলে ২-৩ বছরেও চেকআপ দরকার হয় না।

কারো কারো আবার কোনো জটিলতা থাকলে কয়েক মাস পর পর ডাক্তারের সাথে দেখা করতে হতে পারে। এ কারণে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে জেনে নিন এরপর আপনার আবার কবে আসতে হবে।

অনেকে দ্বিধাবোধ করেন যে প্রশ্নটা করতে: শরীর সুস্থ রাখার জন্য স্বাস্থ্যকর একটি ওজন বজায় রাখা জরুরি। অনেক ক্ষেত্রে ডাক্তার নিজেই আপনাকে বলে দেবেন আপনার বর্তমান ওজন ঠিক আছে কিনা, অথবা আপনার ওজন কমানো বা বাড়ানোর দরকার আছে কী না।

আরও পড়ুনঃ   প্রেগনেন্সি নিশ্চিত হতে জেনে নিন ৭টি টিপস

তিনি যদি না বলে থাকেন তবে আপনার প্রশ্ন করে জেনে নেওয়া ভালো। এরপর আপনার ওজন কমানোর ব্যাপারে তিনি কিছু দিক নির্দেশনা দিতে পারবেন।

ফ্যাট খাওয়ার ব্যাপারে জেনে নিন: ফ্যাট ভালো খারাপ দুই ধরনেরই হয়। আপনার খাদ্যভ্যাসে ভালো ফ্যাটটি যথেষ্ট আছে কি না তা জেনে রাখুন ডাক্তারের কাছ থেকে।

আপনার দেহের কোলেস্টেরল লেভেলের ওপর এর বড় প্রভাব থাকে। একেবারে ফ্যাটজাতীয় খাবার খাওয়া বন্ধ না করে ভালো ধরণের ফ্যাট বেশি খাওয়া দরকার।

লজ্জা পাবেন না সত্যি বলতে: আপনার কোনো ব্যক্তিগত ব্যাপার নিয়ে কথা বলতে ভয় বা লজ্জা পাবেন না, অথবা সংকোচ বোধ করবেন না। ডাক্তারের কাছে প্রতিদিন অনেক রোগীই আসেন। তিনি অনেক বিব্রতকর পরিস্থিতি সামাল দিয়ে অভ্যস্ত।

সুতরাং আপনি নিসসংকোচে নিজের সমস্যার কথা বলে ফেলুন। তিনি পেশাগত দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই সমস্যার সমাধান করবেন। আর কোনো কিছুই লুকাবেন না। কোনো জরুরি তথ্য চেপে গেলে তার চিকিৎসায় ভুল হতে পারে।

-ইসি

প্রবীণদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নয় পরামর্শ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

one × 5 =