চোখে গ্লুকোমা কি ও বোঝার উপায়

0
চোখে গ্লুকোমা

চোখে গ্লুকোমা কেনো হয়? হলে কি করে বুঝবেন?

গ্লুকোমা:
চোখের একটি রোগের নাম গ্লুকোমা৷ চোখের ভিতরের বিভিন্ন প্রকোষ্ঠের মধ্যে যে তরল পদার্থ থাকে কোনও কারণে তার সহজ স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে চোখের ভেতরের চাপ অস্বাভাবিক রকম বেড়ে যায়৷ এই চাপ বৃদ্ধিকে গ্লুকোমা বলে৷ সময়মতো চিকিৎসা না করা হলে আস্তে আস্তে রোগীর দৃষ্টিশক্তি কমতে থাকে এবং এক সময় অন্ধ হয়ে যায়৷ কাজেই সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চক্ষু ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

কারণ:
•    চোখের ভেতরে অতিরিক্ত চাপ বেড়ে গেলে
•    চোখে কোনও প্রকার আঘাত লাগলে
•    চোখে টিউমার হলে
•    চোখে ছানি পড়লে
•    ধূমপান, মদ্যপান, ডায়াবেটিস, রক্তচাপ, কোলেস্টেরলের প্রভাব, যৌন উত্তেজক ওষুধ সেবন করলে
•    প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবে৷

লক্ষণ:
•    দৃষ্টি শক্তি কমে যায়
•    চোখ লাল হয়ে যায়
•    চোখের চারিদিকে ব্যথা হয়
•    মাথা ব্যথা হয়
•    দৃষ্টিশক্তি অস্পষ্ট (ধোঁয়া ধোঁয়া) হয়ে যায়৷
•    খাওয়ায় অরুচি হয়
•    বমি হয়
•    চোখের মণি বড় হয়ে যায়
•    আলো সহ্য করতে পারে না
•    চোখ দিয়ে পানি পড়ে

গ্লুকোমা প্রতিরোধে কি ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করা যায় :

নিয়মিত চোখ পরীক্ষা ও ব্যায়াম করতে হবে৷ তেল ও চর্বিজাতীয় খাদ্য কম খাওয়া, ধূমপান না করা। আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি ও নীল আলো রেটিনার ক্ষতি করে৷ ফলে সকল ঋতুতে রোগীকে সার্বক্ষণিক চশমা ব্যবহার করতে হবে৷ ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে৷ নিয়মিত শাকসবজি ও ফল খেতে হবে৷

আপনার পরিবারে যদি কারো গ্লকোমা থাকে তবে পরিবারের অন্যদেরও চোখের ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে৷ ২০ বছর বয়সের পর থেকে সবারই চোখের গ্লুকোমার পরীক্ষা করাতে হবে৷ ৩ থেকে ৫ বছর পর পর গ্লুকোমার পরীক্ষা করতে হবে৷

আরও পড়ুনঃ   চোখের নিচের কালো দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়

সতর্কতা:

ঝাড়-ফুক, চোখে পানি ও তেল পড়া দেয়া, গাছের শিকড় বা পাতার রস দেওয়া উচিত নয়৷ কবিরাজের কাছে কিংবা নিজের খেয়াল খুশিমতো চোখের ড্রপ ব্যবহার করা যাবে না। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চোখের ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। সেটা না হলে চিরদিনের জন্য চোখ অন্ধ হয়ে যেতে পারে৷

চোখের রোগ গ্লুকোমা কী? গ্লুুকোমা প্রতিরোধে বিস্তারিতভাবে জেনে নিন!

সূত্রঃ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

twenty + 19 =