ডিমের চেয়ে বেশি প্রোটিন রয়েছে যে ৭টি খাবারে

0
ডিমের চেয়ে বেশি প্রোটিন

যারা ডিম খেতে পারেন না এবং ডিমের বিকল্প খুঁজছেন তাদের জন্য আছে সুখবর। কিছু খাবার আছে যেগুলোতে প্রায় ডিমের সমান বা ডিমের চাইতে বেশি প্রোটিনের উপস্থিতি আছে। ডিম না খেলে এই খাবার গুলো খেলেও শরীরের প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হবে।

প্রথমে বোল্ডস্কাইর সৌজন্যে ডিম সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নিন

ডিম ছোট একটি খাবার হলেও প্রোটিনে ভরপুর। এর মধ্যে রয়েছে ছয় গ্রামেরও বেশি প্রোটিন। রয়েছে ভিটামিন, মিনারেলসহ আরো অনেক প্রয়োজনীয় উপাদান। তাই ডিমকে সুপার ফুডও বলা চলে। তবে এমন কিছু খাবার রয়েছে যা থেকে পেতে পারেন এর চেয়েও বেশি প্রোটিন। মটরশুঁটির মধ্যে রয়েছে প্রোটিন ও অ্যাসেনসিয়াল অ্যামাইনো এসিড।

অ্যামাইনো এসিড পেশি গঠনে সাহায্য করে। পনির, বিশেষ করে চেডার চিজের মধ্যে রয়েছে প্রোটিন, ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম। পিনাট বাটারের মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যকর চর্বি, রয়েছে ভালো পরিমাণে প্রোটিন। নিরামিষভোজীদের জন্য এটি চমৎকার খাবার। দুই টেবিল চামচ পিনাট বাটারে আট গ্রাম প্রোটিন রয়েছে। দুধ প্রোটিনে ভরপুর। পাশাপাশি দুধের মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম ও ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি এসিড। প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় দুধ রাখা উচিত। তবে যাদের ল্যাকটোজে অসহনীয়তা রয়েছে তারা দুধ এড়িয়ে যাবেন।

এবার  আসুন জেনে নেয়া যাক ডিমের চাইতে বেশি প্রোটিন সমৃদ্ধ ৭টি খাবার সম্পর্কে।

১. রোস্টেড সয়াবিন
সয়াবিনে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন যা সহজেই ডিমের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়। মাত্র সোয়া কাপ সয়াবিনে আছে আছে ১৫ গ্রাম প্রোটিনে এবং প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও পটাসিয়াম যা শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। তাই নাস্তায় বা সালাদের সাথে রোস্টেড সয়াবিন মিশিয়ে খেলে প্রতিদিনের প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হবে।

 

২।মটরশুটি

এর মধ্যে রয়েছে প্রোটিন ও অ্যাসেনসিয়াল এমাইনো এসিড। অ্যামাইনো এসিড পেশি গঠনে সাহায্য করে।

৩। কুমড়োর বীজ
কুমড়ো খেয়ে এর বীজ গুলো কি করেন? নিশ্চয়ই ফেলে দেন? কুমড়ো খাওয়ার পড়ে এখন থেকে এর বীজ গুলোও খেয়ে ফেলুন। কারণ কুমড়োর বীজে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন যা সহজেই ডিমের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়। প্রোটিন ছাড়াও কুমড়োর বীজে আছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম যা শরীরের জন্য খুবই দরকারি। মাত্র সোয়া কাপ কুমড়োর বীজে আছে ১০ গ্রাম প্রোটিন যা শরীরের প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। তাই সালাদের সাথে অথবা ভাজি করে খেতে পারেন কুমড়োর বীজ।

আরও পড়ুনঃ   হাঁস, মুরগি নয়, মানুষ বানাচ্ছে নকল ডিম। চমকে দেবে ‘ডিম কারখানা’-র ভিডিও

৪। পনির

পনিরে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন যা সহজেই ডিমের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়। বিশেষ করে সুইস পনির গ্র“য়েরে চিজের মাত্র এক আউন্স থেকে পাওয়া যায় ৮গ্রাম বা তার বেশি পরিমাণ পনির। চিডার চিজের মধ্যে রয়েছে প্রোটিন, ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম।

৫ । দুধ

দুধ প্রোটিনে ভরপুর। প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় দুধ রাখা উচিত। তবে যাদের ল্যাকটোজে অসহনীয়তা রয়েছে তারা দুধ এড়িয়ে যাবেন। পাশাপাশি দুধের মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম ও ওমেগা তিন ফ্যাটি এসিড।

৬। পিনাট বাটার

এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যকর চর্বি; রয়েছে ভালো পরিমাণে প্রোটিন। নিরামিষভোজীদের জন্য এটি চমৎকার খাবার। দুই টেবিল চামচ পিনাট বাটারে আট গ্রাম প্রোটিন রয়েছে।

৭। শুকনো স্পিরুলিনা
সমুদ্রের নিচে কি শুধু মাছেই আছে প্রোটিন? নাহ! সমুদ্রের বিশেষ একধরনের জলজ উদ্ভিদেও আছে প্রচুর প্রোটিন। এমনকি ডিমের চাইতে বেশি প্রোটিন আছে বিশেষ এই উদ্ভিদে। স্পিরুলিনা নামের এই উদ্ভিদটি খাওয়া হয় শুকিয়ে। মাত্র দুই টেবিল চামচ স্পিরুলিনাতে আছে ৮ গ্রাম প্রোটিন এবং মাত্র ৪০ ক্যালরি। সালাদের সাথে অথবা পানিতে গুলিয়ে খেতে পারেন শুকনো স্পিরুলিনা।

নষ্ট ডিম চেনার উপায়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

eighteen − 2 =