ফিটকিরির গুণ-ফিটকিরির ২৯টি উপকারিতা জেনে নিন

0
2668
ফিটকিরির গুণ
সাধারণ পরিচয়: ফিটকিরি একপ্রকার অর্ধস্বচ্ছ কাচ সদৃশ কঠিন পদার্থ যার স্বাদ মিষ্টি ও কষা এবং অত্যন্ত শুষ্ক প্রকৃতির। মূলত: এটি খনিজ দ্রব্য। পরে বিজ্ঞানীগণ ল্যাবরেটরীতে কৃত্রিম ফিটকিরি তৈরি করেন। পাকিস্তান, ভারত, ইতালি, জার্মানী ও ফ্রান্স বাণিজ্যিকভাবে ফিটকিরি উৎপাদন করে সারা পৃথিবীতে রফতানি করে। বর্তমানে খনি থেকে আহরিত ফিটকিরির ব্যবহার নেই বললেই চলে। সবখানে কৃত্রিমভাবে উৎপাদিত ফিটকিরি ব্যবহার হয়। এটি খুব সাধারণ সস্তা ও সহজলভ্য বস্তু। ফিটকিরি কয়েক প্রকার। তবে ওষুধে ব্যবহারে জন্য লাল রং এর কাচ সদৃশ বা স্বচ্ছ ফিটকিরি সবচেয়ে উত্তম। ফিটকিরি পানিতে দ্রবণীয় এর প্রতি অণুতে ২৪ অণু কেলাস পানি বিদ্যমান। আগুনে তাপ দিলে গলে তরল হয়। তাপ অব্যাহত রাখতে কেলাস পানি উড়ে চলে যায়। লবণগুলো ফুলে ফেনার মত ফুটতে থাকে। সবশেষে এবড়ো থেবড়ো দানাদার গুড়ায় পরিণত হয়।
এক সময় এখনকার মতো পানি বিশুদ্ধকরণে ফিল্টার ছিল না। বাড়ির অভিজ্ঞ বয়স্ক মানুষটি পানিতে এক টুকরো ফিটকিরি ফেলেই নিশ্চিন্ত হতেন। পানি প্ররিশ্রুত হয়ে ময়লাটুকু জমে পড়ত নিচে। কিংবা দাড়ি কাটতে গিয়ে গালটা কেটে গেলে স্যাভলন বা আফটার সেভের চলও তেমন ছিল না। হাতের কাছে থাকা ফিটকিরির টুকরো গালে ঘষে নিলে ব্যস! মুহূর্তেই রক্তক্ষরণ বা জুলুনি বন্ধ। ফিটকিরি কম দামের কিন্তু বেশ উপকারী জীবাণুনাশক ওষুধ। এমন বহু গুণ আছে ফিটকিরির।যেমনঃ –
ফিটকিরির উপকারিতা
এন্টিসেপ্টিক হিসেবে: বাড়িতে কারো চামড়া কেটে গেলে, ছিলে গেলে ঐ জায়গা পানিতে ধূয়ে ফিটকিরি দিলে রক্ত পড়া বন্ধ হয়। জীবাণু সংক্রমণ হয় না। দাড়ি শেভ করার সময় নাপিত ফিটকিরি ঘষে দেয়।

মুখের ঘা এ উপশম : অনেক সময় মুখের চারপাশে ঘা হয়। এই ঘা এর উপশমও ফিটকিরি করতে পারে। মুখের ঘাতে ফিটকিরি ব্যবহারের নিয়ম- ১ চামচ ফিটকিরির গুড়াঁ ও ১ গ্লাস পানি নিন। পানি একটা পাত্রে চুলায় দিন। ফুটে উঠলে ফিটকিরির গুড়াঁ মিশিয়ে নিন ও চুলা বন্ধ করে নিন। পানি কুসুম গরম অবস্হায় আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবার এটা দিয়ে কুলকুচি করে নিন, দিনে ২-৩ বার করুন, আরাম পাবেন।

ত্বকের যত্নে: আগেরদিনে মেয়েরা রূপচর্চায় ফিটকিরি ব্যবহার করত। কারণ ফিটকিরি ত্বকে বলিরেখা পড়তে দেয় না। এছাড়া মুখে ব্রণ, ফুসকুড়ি, ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, চামড়া কুচকে যাওয়া রোধে ফিটকিরি ব্যবহার করা যায়। এজন্য মুখ ভালো করে ধুয়ে সারা মুখে অনেকক্ষণ ধরে ফিটকিরি ঘষুন। অথবা ফিটকিরি চূর্ণ পানিতে গুলে ওই পানি মুখে মাখুন। শুকিয়ে গেলে ভালো করে মুখ ধুয়ে নিন। এভাবে কিছুদিন করলে মুখের উজ্জ্বলতা বাড়বে এবং ব্রণ-ফুসকুড়ির সমস্যা কমবে।

দাঁত ও মুখের যত্নে: ফিটকিরি এ্যান্টিব্যকটেরিয়াল পদার্থ। তাই দাঁতের রোগ সারাতে ভালো কাজ দেয়। মুখের দুর্গন্ধও দূর করে ফিটকিরি। এজন্য পানিতে ফিটকিরি গুলে সে পানি দিয়ে কুলকুচি করতে হবে। এতে দাঁতের যন্ত্রণা ও মুখের দুর্গন্ধ দূর হবে।

আরও পড়ুনঃ   পানপাতার ৭টি আশ্চর্যজনক উপকারিতা!

সর্বঘটের কাঁঠালি কলা: আগে তো বাড়ির মেয়েরা রূপচর্চা করতেও ফিটকিরি ব্যবহার করতেন। তার কারণ, বলিরেখা পড়তে দেয় না। তা ছাড়া, যেহেতু অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, তাই দাঁতের রোগেও কিন্তু ফিটকিরি ভালো কাজ দেয়।

আঙুলে হাজা: যারা পানি নিয়ে বেশি কাজ করেন অনেক সময় তাদের হাত ও নখের কোনে ঘা হয় কিংবা পায়ের পাতা ফোলা কমাতে ফিটকিরি ব্যবহার করা যায়। এক টুকরো ফিটকিরি পানিতে দিয়ে পানিটা ভালোকরে গরম করে তারপর ঠাণ্ডা করে নিয়ে তাতে পা দুটো ডুবিয়ে রাখতে দ্রুতই বেশ আরাম পাওয়া যাবে।

ব্রন-ফুসকুড়ি: মুখে ব্রন-ফুসকুড়ি হচ্ছে? মুখ ড্রাই হয়ে, চামড়া কুঁচকে যাচ্ছে? চিন্তা করবেন না। ভালো করে মুখ ধুয়ে নিয়ে, সারা মুখে অনেকক্ষণ ধরে ফটকিরি ঘষুন। বা ফিটকিরি চূর্ণ জলে গুলে, মুখে মাখুন। শুকিয়ে গেলে, কিছুক্ষণ পর মুখটা ধুয়ে ফেলুন। এ ভাবে কিছু দিন করলে, মুখে ঊজ্জ্বলতা ফিরবে। ব্রন-ফুসকুড়ির হাত থেকেও মুক্তি পাবেন।

হঠাৎ রক্ত: সেভ করতে গিয়ে গাল কেটে গেলে এখনো সেলুনে ফিটকিরি ঘষে দেয়। এছাড়া আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে হঠাৎ রক্তপাত শুরু হলে ফিটকিরি চূর্ণ করে ওই স্থানে লাগালে রক্তপাত মুহূর্তেই বন্ধ হবে।

টনসিলে আরাম: ঠাণ্ডা লেগে গলা ব্যাথা হলে বা গ্ল্যান্ড ফুলে গেলে গরম পানিতে এক চিমটি লবণ ও ফিটকিরি চূর্ণ মিশিয়ে দিনে কয়েকবার গার্গল করলে বেশ আরম পাওয়া যাবে।

উকুন ধ্বংসে :চুলে উকুন হয়েছে? চিন্তা নেই, ফিটকিরিই দূর করে দিবে উকুন। ১/২ লিটার পানিতে ৪ গ্রাম ফিটকিরি মিশিয়ে নিন। এবার মাথার তালুতে লাগান। ৩০ মিনিট পরে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ১ /২ দিন ব্যবহার করুন।

অধিক ঘাম ও প্রতিকার: গরমে তো ঘাম হবেই। কিন্তু যারা বেশি ঘামেন, পরনের পোশাক ভিজে যায়, তাদের এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারে এক টুকরো ফিটকিরি। গোসলের সময় এক টুকরো ফিটকিরি পানিতে ভালোভাবে মিশিয়ে ওই পানি গায়ে ঢালুন। এভাবে কয়েকদিন গোসল করলে স্বস্তি মিলবে।

ডিওডেরেন্ট হিসেবে :
ফিটকিরি বা ফিটকিরির গুঁড়া শরীরের দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে। এটাকে প্রাকৃতিক ডিওডেরেন্ট বলা যায়। ফিটকিরির টুকরা ভিজিয়ে আন্ডারআর্ম বা বগলে ঘষুন, ২ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। অথবা গোলাপজলের সাথে ফিটকিরির গুঁড়া মিশিয়ে বগলে লাগান। ৫-১০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এটা দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারি ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে। তবে প্রতিদিন ব্যবহার না করে সপ্তাহে ২ দিন ব্যবহার করুন।

মাথা ব্যথা সারাতে: লাল কাচা ফিটকিরি ১ গ্রাম ও ছোট এলাচি বীজ ৬ গ্রাম উভয় উপাদানকে পৃথক পৃথক কুটে পিষে কাপড়ে ছেঁকে নিতে হয়। অল্প কিছু পানিসহ পান করলে মাথা ব্যথা দ্রুত সেরে যায়।

আরও পড়ুনঃ   মেহেদি পাতায় সুস্থ জীবন!

কান ব্যথা: ফিটকিরি ভেজে গুড়া করে সামান্য একটু গুড়া কানে দিতে হয়। তারপর কয়েক ফোঁটা লেবুর রস অথবা পেঁয়াজের রস কানে দিলে কান ব্যথা চলে যায়।

পা ফাটা উপশমে : 
ফিটকিরি খুব দক্ষতার সঙ্গে পা ফাটা আরোগ্য করতে পারে। পায়ের মরা চামড়া তুলে পা কে নরম ও মসৃণ করে তোলে। পায়ের ফাটা ভালো করতে একটা প্যাক তৈরি করুন। একটা বাটিতে ২ চা চামচ ফিটকিরি গুঁড়া , ১ চা চামচ নারিকেল তেল ও ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। পা ভালো করে ধুয়ে, শুকিয়ে নিন। এরপর প্যাক লাগিয়ে ৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন। তারপর ১০-১৫ রেখে কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে নিন। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করুন।

দাঁত ব্যথা: ভুনা ফিটকিরি, লবণ ও বাবলা গাছের ছাল সমপরিমাণ নিয়ে সূক্ষ্ম করে পিষলে এমন মাজন হয় যা দিয়ে দাঁত মাজলে দাঁত ব্যথা চলে যায়।

ব্রণ দূর করতে :
প্রাকৃতিক উপায়ে ব্রণ দূর করতে ফিটকিরি অত্যন্ত কার্যকর।মাত্র-৩ উপাদানেই তৈরি করুন ব্রণের জন্য ফেসপ্যাক।১ চা চামচ ফিটকিরির গুড়াঁ, ২ চা চামচ মুলতানি মাটি, ২ চা চামচ গোলাপজল একসাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। ব্রণে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।ভালো ফল পেতে সপ্তাহে ১ বার ব্যবহার করুন। ২ মাস নিয়মিত ব্যবহারে লক্ষণীয় উন্নতি দেখা যাবে।
পানি বিশুদ্ধকরনে :

দূষিত পানিতে কিছু ফিটকিরি মেশালে পানির ময়লাগুলো নিজেরা নিজেদের সাথে লেগে ভারি হয়ে পানির নিচে জমা হয়। উপরে বিশুদ্ধ পানি অবস্থান করে। বাংলাদেশে বন্যা, জলোচ্ছবাস মহামারি আকারে লেগেই থাকে। বিশুদ্ধ খাবার পানি তীব্র সংকট দেখা দেয়। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বাংলাদেশের জন্য ফিটকিরিকে সবচেয়ে সস্তা, কার্যকর ও উপযুক্ত জীবাণুনাশক ওষুধ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

ফিটকিরির ব্যবহার পানি বিশুদ্ধকরনে খুব জনপ্রিয়। প্রতি ১ লিটার পানিতে ১ গ্রাম ফিটকিরি বা ফিটকিরির গুঁড়া ব্যবহার করুন। ময়লা বা কাঁদাযুক্ত পানিতে ফিটকিরি মিশিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে দিন। এরপরে দেখবেন কাঁদা সব নিছে জমা হয়েছে, এখন উপরে ভয়াল পানিতা আস্তে করে ছেঁকে নিন।
বলিরেখা দূর করতে : 
ফিটকিরি ত্বককে টানটান করতে সাহায্য করে। ১চামচ ফিটকিরির গুড়াঁ ও ২ চামচ গেলাপজল বা পানি মিশিয়ে মুখে লাগান ( চোখ বাদে)।  কিছুক্ষণ পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ফিটকিরির গুড়াঁ না থাকলে, একটা ফিটকিরির টুকরা ভেজা মুখে ঘষুন। কিছু সময় পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের বলি রেখা দূর করে, আপনাকে করে তুলবে সতেজ ও লাবন্যময়ী।
ক্রিয়াবিদের পায়ের যত্নে :
ফিটকিরিতে আছে অ্যান্টিমাইক্রোবাইয়াল উপাদান। এটা ক্রিয়াবিদের পায়ে ফাঙ্গাসকে মেরে ফেলে। একারনে ক্রিয়াবিদের পায়ের যত্নে ফিটকিরি ব্যবহার করা যায়। গোলাপজলের সাথে ফিটকিরির গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে পা ও পায়ের পাতাতে লাগিয়ে রাখুন। শুকালে কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন। অন্যভাবে, হালকা গরম পানিতে ফিটকিরির গুঁড়া মিশিয়ে পা কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখে পা ধুয়ে, মুছে নিন।

অন্যান্য কাজে: ফিটকিরিকে মোমের সাথে মিশিয়ে লোমনাশক ক্রীম প্রস্তুত করা হয়। সারা পৃথিবীর মহিলাগণ নাভির নীচের অবাঞ্চিত পশম তুলে ফেলার জন্য যে ক্রীম (যেমন- ভিট, নেয়ার) ব্যবহার করেন তা ফিটকিরি থেকে প্রস্তুত হয়। কাগজ শিল্পে, ট্যানারি (চামড়া) শিল্পে ফিটকিরি ব্যবহার হয়। সমুদ্রগামী জাহাজের নাবিকগণ যে কাপড় ও কাগজ ব্যবহার করেন তা আগুনে পোড়ে না (Fire proof). এ ধরনের কাপড় ও কাগজ বানাতে ফিটকিরির প্রয়োজন হয়। অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রে যে রাসায়নিক দ্রব্য থাকে তা ফিটকিরি দিয়ে প্রস্তুত হয়। আমাদের কথা: মহান সৃষ্টিকর্তা খুব সাধারণ, সস্তা একটা জিনিসের মধ্যে কত যে উপকার দিয়ে রেখেছেন তা ফিটকিরি সম্বন্ধে জেনেই আমরা বুঝতে পারলাম। একটা সাধারণ নাপিতের দোকানেও পাওয়া যায়। অথচ শুধু ফিটকিরি ব্যবহার করেই অনেক রোগ ব্যাধি থেকে আমরা রেহাই পেতে পারি।

আরও পড়ুনঃ   ন্যাচারাল মেডিসিন পেঁপে

বিশেষ দ্রষ্টব্য: ফিটকিরির কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

এই লেখার কিছু অংশ  ডা. আলমগীর মতি (০১৯১১৩৮৬৬১৭) -সাহেবের লেখা থেকে নেওয়া হয়েছে।

আরও কিছু উপকারিতা নিম্নরুপঃ
১। মুখের ভেতরে কোনও ঘা হলে, সেখানে ফিটকিরি লাগান। জ্বালা করতে পারে, কিন্তু তাড়াতাড়ি ঘা শুকাবে। তবে লালা গিলে ফেলবেন না। আর শিশুদের থেকে দূরে রাখবেন ফিটকিরি।

২। ব্যাকটেরিয়ার ফলে মুখে গন্ধ হয়। ফিটকিরি ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সক্ষম। এক গ্লাস পানি ফোটান। তার মধ্যে এক চিমটি লবণ দিয়ে মেশান। এবারে ফিটকিরির গুঁড়া মেশান। মিশ্রণ ঠান্ডা হলে, তা দিয়ে কুলকুচি করুন।

৩। শিশুদের মাথায় প্রায়ই উকুন ও উকুনের ডিম হয়। পানিতে ফিটকিরি গুঁড়া মিশিয়ে তার মধ্যে একটু চা গাছের তেল (টি ট্রি অয়েল) মেশান। এবারে ১০ মিনিট ধরে মাসাজ করুন স্ক্যাল্পে। এর পরে শ্যাম্পু করে নিন।

৪। মুখে ব্রণ হলে ফিটকিরি ব্যবহার করতে পারেন। এক চামচ মুলতানি মাটি, দু’চামচ ডিমের সাদা অংশ ও এক চামচ ফিটকিরি গুঁড়ো দিয়ে প্যাক বানান। প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

৫। দাড়ি কামানোর পরে বা কেটে গেলে ফটকিরি লাগিয়ে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৬। বয়সের ছাপ পড়লে এক টুকরো ফিটকিরি পানিতে ভিজিয়ে তা মুখে ঘষুন। তার পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।

৭। ডিওডোর‌্যান্ট হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। ফিটকিরির গুঁড়োর সঙ্গে গন্ধরস মেশান। গন্ধরস বা মস্তকি এক ধরনের গাছের আঠা বিশেষ।

৮। পায়ে শিরায় টান পড়লে ফিটকারির গুঁড়ো, হলুদ এবং পানি দিয়ে একটি পেস্ট বানান। ব্যথা হলে সেখানে লাগান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

ten − seven =