বিদেশি রসুনে বাড়ছে ক্যান্সারের ঝুঁকি

0
80
বিদেশি রসুন

গোটা দেশে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে বিদেশি রসুন। যা কিনা দেশের মানুষের মারাত্মক ক্ষতি করছে। সম্প্রতি এমনই দাবি করেছেন গবেষকরা। আমাদের দেশের রসুনের ঘাটতি পুরণ করার জন্য আমরা দেশের বাহির থেকে রসুন আনিয়ে থাকি। কিন্তু, এই বিদেশি রসুন স্বাস্থ্যের পক্ষে আদৌ সুবিধের নয়। পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বিদেশি রসুনে উচ্চমাত্রায় মিথাইল ব্রোমাইড ছাড়াও রয়েছে লেড এবং সালফাইটস। গবেষকরা বলছেন, এই সব রাসায়নিক উপাদন রসুনের গুণাবলি নষ্ট করে, উলটো ক্যান্সারের মতো অসুখের ঝুঁকি অতিমাত্রায় বাড়িয়ে তুলছে।
.
শুধু তাই নয়, মানবশরীরের রেসপিরেটরি ও সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে এই বিদেশি রসুন। এর শেষ এখানেই নয়। রসুনকে পরিষ্কার ঝকঝকে করে ক্রেতাদের কাছে অ্যাপিল বাড়িয়ে তুলতে ক্লোরিন ব্লিচ করা হয়। তাও মানব দেহের ক্ষতি করে। মনকী অর্গানিক রসুন বলে বিদেশিরা যা পাঠাচ্ছে, তাতেও রাসায়নিক থাকে। ফলে সমান ক্ষতিকারক। যাতে রসুন নষ্ট না হয় তার জন্য জাহাজে তোলার আগে রাসায়নিক স্প্রে করতে হয়। ব্লিচ করা হয় রসুনের গায়ে থাকা স্বাভাবিক ডার্ক স্পট (কালো দাগ) গায়েব করতে।
বিদেশি রসুন শরীরের কী কী ক্ষতি করে? গবেষকরা বলছেন
-শরীরে শ্বাসতন্ত্র ও কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকেও বিকল করে দেয় এই রসুন।
-রসুনকে ক্রেতাদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে ক্লোরিন ব্লিচ করা হয়, মূলত, রসুনের গায়ের কালো ছোপ দূর করার ক্ষেত্রে ব্লিচ করা হয়। এটাই মারাত্মক ক্ষতি করে
-এই পদার্থগুলো ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়িয়ে তোলে।
-বিদেশি ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন দেশে রসুন রপ্তানি করার সময় রাসায়নিক স্প্রে করে। রসুনে যাতে গেঁজ না ধরে, সেজন্য জাহাজে ওঠানোর আগে রাসায়নিক স্প্রে করতে হয়।
তাই এরপর থেকে বিদেশি রসুন খাওয়ার আগে একবার অন্তত আপনার এবং আপনার পরিবারে কথা চিন্তা করে নিবেন। আর দেশি রসুন খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। বেশি না খেয়ে অল্প খান। তবুও ভালো খান, দেশি রসুন খান।
তথ্য  : ইন্টারনেট

আরও পড়ুনঃ   বাজারে আসছে হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোর ভ্যাকসিন

প্রতিদিন রসুন কেন খাবেন?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

one × three =